প্রানীর উপর নির্ভরশীলতা মানুষের সেই সৃষ্টির শুরু থেকে। সৃষ্টির আদি থেকে মানব জীবনে স যার কিছু উদাহরণ নিন্মে দেয়া হল:

🐄 খাদ্যসংক্রান্ত উপকারিতা: পোষা প্রাণীর মাংস ও মাংসজাত পণ্য মানুষের প্রাথমিক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। গরুর দুধ ও ডেয়ারি পণ্য, মুরগির মাংস, মাছ ইত্যাদি উচ্চ মাত্রার প্রোটিন পোষা প্রানী থেকেই আসে।

🐄 পোষাক শিল্প: পোষা প্রাণীর চামড়া বস্ত্র উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, গরুর চামড়া থেকে চামড়া উত্পাদন করা হয় যা পোশাক, জুতা, নারীদের হাতের ব্যাগ, গ্লোভস ইত্যাদির তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

🐄 কৃষি কাজে সাহায্য: পোষা প্রাণী কৃষি কাজে জমি চাষ ও জল ব্যবস্থাপনার জন্য উপযুক্ত সামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গরুর গোবর, পাখির মায়া, মুরগির পাখি ইত্যাদি জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য সাহায্য করে।

🐄 পরিবহন ক্ষেত্রে সাহায্য: পরিবহন হিসেবে পোষা প্রানীর ব্যবহার সেই আদিম যুগ থেকে। বাহন হিসাবে অথবা মালামাল বহনের জন্য পোষা প্রানীর ভূমিকা সেই প্রাচিন যুগ থেকেই লক্ষ করা যায়।

🐄 ঘর পাহাড়ায় ও শিকার এর ক্ষেত্রে : ঘর বাড়ি সুরক্ষায় ও শিকার এর জন্য পোষা প্রানী পালন আদিম একটি পন্থা যার চর্চা এখনো রয়েছে।

এইভাবে পোষা প্রাণীর উপকারিতা অনেক সংখ্যক ও বিভিন্ন ভাবে মানুষের জীবনে অবদান রাখতে পারে।তবে শুধু যে বিভিন্ন উপকার এর জন্যই পোষা প্রানী পালন করা হয় তা কিন্তু নয় শখ এর বশে পোষাপ্রানী পালনের প্রচলন মানব সমাজে খুব ভালো ভাবেই  পরিলক্ষিত।